Bank Loans Blog — Bank Loan Information Blog
ব্যাংক লোন
ব্যাংক লোন
এনজিও লোন
Bank Loans Blog ওয়েবসাইটে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে লোন নেয়ার পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এটি শুধুমাত্র একটি ব্লগ সাইট, কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পৃক্ত নয়।
সর্বশেষ পোস্টসমূহ
Bank Loans Blog ওয়েবসাইটে বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যাংক, এনজিও, এবং মোবাইল ব্যাংকিং মাধ্যম থেকে লোন নেয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে পোস্ট করা হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ যেন ব্যাংক লোন নেয়ার সময় প্রয়োজনীয় তথ্য জানতে পারে এই উদ্দেশ্যে আমাদের ব্লগের যাত্রা শুরু।
বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যাংকে বিভিন্ন ক্যাটাগরির লোন আবেদন করা যায়। আপনার পেশা এবং প্রয়োজনের উপর ভিত্তি করে ভিন্ন ক্যাটাগরির লোন আবেদন করতে পারবেন। লোন আবেদন করার সময় ক্যাটাগরির উপর ভিত্তি করে ভিন্ন ধরনের কাগজপত্র এবং জামানতের প্রয়োজন হয়।
ব্যাংক লোনের ক্ষেত্রে জামানত লাগলেও এনজিও লোন এবং মোবাইল ব্যাংকিং লোন যেমন- বিকাশের ক্ষেত্রে জামানত লাগেনা। তাই, একজন ব্যক্তি যে লোন আবেদন করতে চাচ্ছেন, সেই লোন আবেদন করতে কী কী কাগজপত্র লাগবে, কত টাকা লাগবে বা কী পরিমাণ জামানত লাগবে তা জানা আবশ্যক।
ব্যাংক লোনস ব্লগ ওয়েবসাইটের পোস্টগুলো পড়ে বিভিন্ন ব্যাংকের বিভিন্ন ধরনের লোন পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে পারবেন। কোন ব্যাংক কত টাকা অব্দি লোন দেয় বা কোন ক্যাটাগরির লোনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কত টাকা লোন পাওয়া যায় এসব জানতে পারবেন।
ব্যাংক লোন
ব্যাংক থেকে লোন নেয়ার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এখানে একসাথে অনেক বেশি টাকা পাওয়া যায়। ছোটখাটো প্রতিষ্ঠান বা এনজিও থেকে সাধারণত অল্প কিছু টাকা (যেমন ৫০ হাজার বা ১ লাখ) লোন পাওয়া যায়। কিন্তু আপনার যদি ব্যবসা বা অন্য কোনো বড় কাজের জন্য লক্ষ লক্ষ বা কোটি টাকার প্রয়োজন হয়, তখন ব্যাংকই সবচেয়ে ভালো সমাধান।
অবশ্যই, ব্যাংক থেকে বড় অংকের লোন পেতে হলে আপনাকে কিছু একটা জামানত হিসেবে রাখতে হবে। সোজা কথায়, ব্যাংক আপনার কাছে একটা গ্যারান্টি চাইবে। এটা হতে পারে আপনার বাড়ি বা জমির দলিল, ব্যাংকে জমানো ফিক্সড ডিপোজিট (FDR) অথবা এই ধরনের মূল্যবান কোনো সম্পদ। এই জামানত দেখে ব্যাংক ভরসা পায় যে আপনি লোন শোধ করতে পারবেন।
বাংলাদেশে অনেক সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংক আছে, যারা বিভিন্ন ধরনের লোন দিয়ে থাকে। একেক ব্যাংকের লোনের নিয়ম ও শর্ত কিছুটা আলাদা হতে পারে। যেমন, লোন নিতে কী কী কাগজপত্রের দরকার হবে, সুদের হার কেমন, বা আবেদন করার পুরো প্রক্রিয়াটা কী—এসব বিষয়ে আমরা আমাদের ওয়েবসাইটে খুব সহজ করে আলোচনা করেছি। আরও বিস্তারিত জানতে নিচের বাটনে ক্লিক করে পড়ে নিতে পারেন।
এনজিও লোন
বাংলাদেশে অনেক এনজিও (বেসরকারি সংস্থা) আছে, যারা গ্রামের এবং শহরের বিভিন্ন পেশার সাধারণ মানুষকে লোন দিয়ে সাহায্য করে। এনজিও থেকে লোন নেওয়ার একটা বড় সুবিধা হলো, একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা পর্যন্ত কোনো কিছু জামানত রাখতে হয় না। অর্থাৎ, কোনো গ্যারান্টি ছাড়াই লোন পাওয়া যায়।
ব্যাংক থেকে লোন নিতে গেলে যেখানে জামানত ছাড়া চিন্তাই করা যায় না, সেখানে এনজিওগুলো খুব সহজে মানুষকে লোন দিয়ে থাকে। অবশ্য, এনজিও থেকে লোন পেতে হলে প্রথমে আপনাকে তাদের সদস্য হতে হবে এবং একটি সেভিংস বা সঞ্চয় অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। এরপর একটা সহজ আবেদন ফর্ম পূরণ করলেই লোনের জন্য আবেদন করা হয়ে যায়।
এই প্রক্রিয়াটি খুব দ্রুত হয়। যেমন, এই সপ্তাহে আবেদন করলে পরের সপ্তাহেই টাকা হাতে পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এই সহজলভ্যতার কারণেই গ্রামের বা দূরের এলাকার মানুষেরাও তাদের হঠাৎ টাকার দরকার হলে এনজিওর ওপর ভরসা করেন। আপনি যদি এনজিও লোন সম্পর্কে আরও জানতে চান, তবে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
ব্যাংক লোন সম্পর্কিত প্রশ্নোত্তর
ব্যাংক থেকে সহজে লোন পাওয়ার উপায়?
ব্যাংক থেকে সহজে লোন পাওয়া যায়না। লোন পেতে হলে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে একটি অ্যাকাউন্ট করতে হইবে। এরপর, পর্যাপ্ত কাগজপত্র সঙ্গে নিয়ে ব্যাংকের যেকোনো শাখায় গিয়ে লোন আবেদন করতে পারবেন।
বাংলাদেশে কোন ব্যাংক স্টুডেন্ট লোন দেয়?
বাংলাদেশের প্রায় অনেক ব্যাংক থেকেই স্টুডেন্ট লোন পাওয়া যায়। এগুলোর মাঝে, ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক ইত্যাদি অন্যতম।
কোন কোন ব্যাংক বাইক লোন দেয়?
বাংলাদেশের প্রায় সকল ব্যাংক থেকেই বাইক লোন নিতে পারবেন। অথবা, ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে সেই অর্থ দিয়ে বাইক কিনতে পারবেন। লোন নিতে চাইলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে নিয়ে ব্যাংকে যোগাযোগ করুন।
সিটি ব্যাংক কত টাকা লোন দেয়?
সিটি ব্যাংক থেকে ক্ষেত্রবিশেষে কয়েক লক্ষ থেকে কোটি টাকা অব্দি লোন নিতে পারবেন। তবে, লোন নেয়ার জন্য পর্যাপ্ত কাগজপত্রও, সঠিক ইনকাম সোর্স এবং লোনের বিপরীতে জামানত রাখতে হবে।
বিকাশে সর্বোচ্চ কত টাকা লোন দেয়?
এখন পর্যন্ত বিকাশে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা লোন নেয়া যায়। তবে, এই লোন নিতে চাইলে বিকাশ দিয়ে বেশি বেশি লেনদেন করতে হবে। লেনদেনের উপর ভিত্তি করে ভিন্ন পরিমাণ অর্থ লোন নিতে পারবেন।
২০ লক্ষ টাকা লোন নেওয়া যাবে কি?
হ্যাঁ নিতে পারবেন। হোম লোন, কার লোন, স্টুডেন্ট লোন সহ বিভিন্ন ক্যাটাগরির লোনের ক্ষেত্রে ২০ লক্ষ টাকা বা তার বেশি পরিমাণ অর্থ লোন দিয়ে থাকে ব্যাংকগুলো।











